ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কেয়ামত ডেকে আনবে পুতিনের অস্ত্র!

সংগৃহীত ছবি

ঢাকা: ক্ষমতার শেষ সময়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে হামলার অনুমতি দেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যা ইউক্রেন যুদ্ধের এক নতুন মোড় নিয়েছে।

এর পরই মস্কো পরমাণু অস্ত্রের নীতিতে পরিবর্তন আনলেও, এখন শোনা যাচ্ছে আরও একটি গোপন এবং বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি করছে রাশিয়া। এই অস্ত্রের নাম “ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পালস” বা ইএমপি বোমা, যা পৃথিবীজুড়ে অন্ধকার নেমে আসার কারণ হতে পারে।

ইএমপি বোমার শক্তি এতটাই প্রবল যে এটি কম্পিউটার, স্যাটেলাইট, রেডিও, রাডার, ট্রাফিক সিস্টেম এমনকি সড়ক বাতির মতো সব ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। পারমাণবিক বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই অস্ত্র ব্যবহার করা হয়, যা বিশেষ কোন শহর বা দেশের বায়ুমন্ডলে ঘটিয়ে ইলেকট্রনিক যন্ত্রগুলো ধ্বংস করে দেয়।

এই ধরনের অস্ত্রের ধারণা নতুন নয়, সূর্য থেকে উৎপন্ন হওয়া প্রাকৃতিক ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গের মতো ক্ষমতাশালী বোমার প্রভাব বিপদজনক হতে পারে। ১৮৫৯ সালে সূর্যের করোনাল ম্যাস ইজেকশনের ফলে বিশ্বজুড়ে টেলিগ্রাফ সিস্টেম অচল হয়ে গিয়েছিল, যা ইএমপি বোমার ক্ষমতার প্রমাণ।

বিশ্বের ইএমপি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরবর্তী যুদ্ধ হবে মূলত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেক্ট্রামে, এবং এটি ব্যালিস্টিক মিসাইলের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক হতে পারে। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইএমপি অস্ত্রের ভয়াবহতার কথা স্বীকার করেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা প্রস্তুতি বাড়ানোর নির্দেশ দেন।

এখন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পশ্চিমা স্যাটেলাইট ব্যবস্থাকে অচল করতে এই অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন। ১৯৬২ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রশান্ত মহাসাগরে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ইএমপি অস্ত্রের ক্ষমতা পরীক্ষা করেছিল, যা প্রায় ৯০০ মাইল দূরে সড়ক বাতির কাজ বাধাগ্রস্ত করেছিল।

পুতিন যদি এই অস্ত্র ব্যবহার করেন, তবে পশ্চিমা বিশ্বের স্যাটেলাইট এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হবে, ফলে পৃথিবীজুড়ে অন্ধকার নেমে আসবে।

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হলেন সাইদুল ইসলাম

কেয়ামত ডেকে আনবে পুতিনের অস্ত্র!

আপডেট: ০২:৪০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

ঢাকা: ক্ষমতার শেষ সময়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে হামলার অনুমতি দেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যা ইউক্রেন যুদ্ধের এক নতুন মোড় নিয়েছে।

এর পরই মস্কো পরমাণু অস্ত্রের নীতিতে পরিবর্তন আনলেও, এখন শোনা যাচ্ছে আরও একটি গোপন এবং বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি করছে রাশিয়া। এই অস্ত্রের নাম “ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পালস” বা ইএমপি বোমা, যা পৃথিবীজুড়ে অন্ধকার নেমে আসার কারণ হতে পারে।

ইএমপি বোমার শক্তি এতটাই প্রবল যে এটি কম্পিউটার, স্যাটেলাইট, রেডিও, রাডার, ট্রাফিক সিস্টেম এমনকি সড়ক বাতির মতো সব ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। পারমাণবিক বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই অস্ত্র ব্যবহার করা হয়, যা বিশেষ কোন শহর বা দেশের বায়ুমন্ডলে ঘটিয়ে ইলেকট্রনিক যন্ত্রগুলো ধ্বংস করে দেয়।

এই ধরনের অস্ত্রের ধারণা নতুন নয়, সূর্য থেকে উৎপন্ন হওয়া প্রাকৃতিক ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গের মতো ক্ষমতাশালী বোমার প্রভাব বিপদজনক হতে পারে। ১৮৫৯ সালে সূর্যের করোনাল ম্যাস ইজেকশনের ফলে বিশ্বজুড়ে টেলিগ্রাফ সিস্টেম অচল হয়ে গিয়েছিল, যা ইএমপি বোমার ক্ষমতার প্রমাণ।

বিশ্বের ইএমপি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরবর্তী যুদ্ধ হবে মূলত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেক্ট্রামে, এবং এটি ব্যালিস্টিক মিসাইলের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক হতে পারে। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইএমপি অস্ত্রের ভয়াবহতার কথা স্বীকার করেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা প্রস্তুতি বাড়ানোর নির্দেশ দেন।

এখন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পশ্চিমা স্যাটেলাইট ব্যবস্থাকে অচল করতে এই অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন। ১৯৬২ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রশান্ত মহাসাগরে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ইএমপি অস্ত্রের ক্ষমতা পরীক্ষা করেছিল, যা প্রায় ৯০০ মাইল দূরে সড়ক বাতির কাজ বাধাগ্রস্ত করেছিল।

পুতিন যদি এই অস্ত্র ব্যবহার করেন, তবে পশ্চিমা বিশ্বের স্যাটেলাইট এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হবে, ফলে পৃথিবীজুড়ে অন্ধকার নেমে আসবে।